আমি ড্যাবড্যাব চোখে তার দিকে তাকিয়ে আছি । এ
আমি কি দেখছি !! এত সুন্দর হতে পারে কেউ ? আজ
৩ দিন ধরে আমি সুন্দরের পূজারি । এর আগে কিরকম
ছিলাম জানিনা । আমি প্রায় সময় হাসি-কান্না নিয়েই
ব্যস্ত থাকি । কিন্তু এই মেয়েটাকে দেখে আমার
হাসি-কান্না পর্যন্ত থেমে গেছে ।
সে আমার হাত ধরে আছে । হাসি হাসি মুখে আমার
দিকে তাকিয়ে ও আছে । ওর চোখে আমার চোখ,
হাতে আমার হাত ।
যে কেউ জেনে অবাক হবে যে , আমি আর
সে যে রুমে আছি, সেই রুমে আমার আব্বু আম্মু ও
আছে, ভাইয়া ও আছে । আরেকজন
মহিলা কে আমি চিনিনা, হয়তো বা এই মেয়েটার
মা হবে । আমি লজ্জায় একদম লাল হয়ে যাচ্ছি ।
মেয়েটার কি লজ্জা শরম বলে কিছুই নেই ? এতজন
লোকের সামনে আমার হাত ধরে বসে আছে । কে কখন
কি করবে তার কোন ঠিক নেই ।
কিন্তু আশ্চর্যের ব্যপার হল যে, আমার আব্বু-
আম্মু, ভাইয়া, এমন কি ঐ মেয়েটার মা, তারা সবার মুখ
হাসি হাসি । আমি ভয়ার্ত নয়নে চারিদিকে তাকাচ্ছি ।
যার দিকেই তাকাচ্ছি, সে হাত তালি দিচ্ছে,
মনে হচ্ছে যেন, আমাকে বলছে চালিয়ে যাও,
চালিয়ে যাও !! কিন্তু এরকম তো হবার কথা না !
আমি জানতাম পৃথিবী টা এমন না, কিন্তু এ
আমি কোন পৃথিবী দেখছি ?
যাই হোক, এরকম সুযোগে সবাই এডভান্টেজ নেয় ।
আমি ও অপেক্ষায় আছি । মেয়েটা কিছুক্ষন পর ই
সবার সামনে আমাকে জড়িয়ে ধরল । বলা যায় কোলেই
তোলে নিলো । তারপর
যে কাজটা করলো সেটা শোনলে কেউ বিশ্বাস
করতে পারবে না শিউর । চকাস করে আমার
গালে একটা চুমু দিয়ে দিলো মেয়েটা । এবং তার নিজের
গাল ও আমার দিকে বাড়িয়ে দিলো । ঘটনার
আকস্মিকতায় আমি ভাষা হারিয়ে ফেললাম । নিরুপায়
হয়ে আমার আম্মুর দিকে তাকালাম । আম্মু
আমাকে বলল বাবু, চুমু দাও !!! এত এত লোকের
সামনে আমাকে বাবু বলে ডাকছে একটু
লজ্জা লাগলো, তা ও কিছু বললাম না । মেয়েটার
ফর্সা গালে আমিও চকাস শব্দ তুললাম, মায়ের আদেশ
বলে কথা ! আমি অপেক্ষায় আছি কখন আমার
ভাইয়া এসে আমার ছোট ছোট চুল গুলো ধরে এক টান
দেবে । অথবা আব্বু এসে থাবড়া লাগাবে । কিন্তু
কিছুই হল না ।
অতঃপর আমি অনুধাবন করিতে পারিলাম যে, এই
সুন্দরী মেয়ে এবং আমার মাঝে যা কিছু
হচ্ছে এবং অদূর অথবা সুদূর ভবিষ্যতে যা কিছু হইবে,
তাতে আমার আব্বাজান, আম্মাজান, ভাইজান ,
এবং সুন্দরীর আম্মাজানের ও কোন আপত্তি নাই ।
সুতরাং আমি এক ভুবন ভুলানো হাসি দিয়ে সুন্দরির
দিকে একখানা চোখ টিপ মারিলাম ।
সুন্দরী হেসে দিলো । আহ !!! আহ!তার হাসি এত সুন্দর
কেন ? আমি তার প্রেমে পড়ে গেলাম ।
ভালবাসা প্রেম, এগুলু আমি চিনিনা । তবুও
তাকে কেমন যেন একটা আপন আপন লাগল ।
হঠাৎ করে আমার খেয়াল হল যে আমার শরীরে কাপড়
চোপড় কিঞ্চিৎ অল্প । আমি ছটফট করা শুরু করলাম
। এটা কি হল ?? এতজন মানুষের সামনে আমি এই
অবস্থায় ছিলাম ? আমি ছটফট করতে লাগলাম ।
আম্মু বলল “সাদিয়া একটু সামলে ধরো,
পড়ে যাবে তো ! এখনও যদি ৪ বছরের ছোট খালাত
ভাই কে কোলে নিতে না পার, তাহলে আর কখন
পারবে ?! ”
আমি আম্মাজানের দিকে তাকাইলাম । আম্মা বলল,
এটা তোর বড় আপা, এখনও তো বয়স হয় নাই, তুই
চিনবি কিভাবে ?
তাহলে মেয়েটা আমার খালত বোন ? ৪ বছরের বড় ?
তাহলে আমার ফ্যামিলির সবাই
মিলে আমাকে ছেঁকা দিলো ? এই কষ্ট সহ্য করা যায় ?
অতঃপর সহ্য করতে না পেরে আমার প্রথম ক্রাশ
সাদিয়া ওরফে চার বছরের বড় খালাতো বোনের উপর
হিসু করে দিলাম । আম্মাজান আমাকে তাৎক্ষনিক
কোলে নিয়ে বলল, ওহো !!! আগেই ড্রাইপার
পড়ানো উচিত ছিল । আমি কাঁদতে লাগলাম । আর
মনে মনে বললাম , মাত্র তিন দিন বয়সেই প্রথম
ছেঁকা টা খেলাম ?
রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৪
আমি তার প্রেমে পড়ে গেলাম
বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৪
নীল, পরী এবং একটি ভালবাসার গল্প (১)
- কিরে কি খবর তোর?
- কোন খবর নাই
- মানে কি? কবে আসবি?
- জানিনা
- জানি না বললেই হবে? এতোদিন কেউ বাসায়
থাকে নাকি? গাধা একটা।
- হুম
- বল না কবে আসবি? কতদিন ঘুরতে যাই না।
- আসব আসব। এইতো কয়েকদিন পরই আসব।
- একসাথে বসে আমাকে জোছনা দেখানোর
কথা মনে আছে তো?
- হুম আছে
- আর আমি যে তোকে তিনটা চিঠি লিখতে বলছি,
তা কি লিখছিস?
- হুম লেখার চেস্টা করছি
- চেস্টা করলে চলবে না। লিখে আনবি। আর
হ্যাঁ তোকে যে বলছিলাম কোন এক
জোছনা রাতে আমার বাসার নিচে এসে ফোন
দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবি আর আমি উপর
থেকে তোকে দেখব সেটা কি মনে আছে?
- হুম আছে। এতো কিছু করতে পারব না।
আমি কি তোর বয়ফ্রেন্ড লাগি নাকি? তোর জন্য
এতো কিছু করা লাগবে? তোর বয়ফ্রেন্ডকে এসব
করতে বলিস।
- না তুই আমার বয়ফ্রেন্ড না। তুই আমার জামাই
লাগস। একবার বউ বলে ডাক তো। কতদিন ডাকিস
না গাধা।
- ঠিক আছে বউ রাখি। পরে কথা হবে।
পরী আর নীল। দুজনে বেস্ট ফ্রেন্ড। এক দুই বছর
না পাক্কা চৌদ্ধ বছরের ফ্রেন্ডশীপ। সেই ছোট্ট
বেলা থেকে বন্ধুত্ব তাদের। একে অপরকে জামাই বউ
বলে সম্বোধন করে। পরী চাঞ্চল্যে ভরা একটা মেয়ে।
সবসময় হাসিখুশি আর সকলের সাথে মাস্তিতে ব্যস্ত
থাকে। নীল, ইন্ট্রোভাট টাইপের খুব চাপা স্বভাবের
একটা ছেলে হলেও বন্ধুদের আড্ডায় সবসময়
হাসিখুশি থাকার চেস্টায় ব্যস্ত থাকে। অনেক সময়
পারে অনেক সময় পারে না। মাঝে মধ্যে টুকটাক
কবিতা লেখার চেস্টা করে। আর কিছুটা পাগল
টাইপের। মাথার ভিতর যত সব পাগলাটে চিন্তাভাবনা।
একা একা রাস্তায়
হাঁটা অথবা হাইওয়েতে বৃষ্টিতে ভিজা নয়তো নির্ঘুম
চোখে রাতের আকাশে তারা গুণা আর হঠাত্ করেই
নিরুদ্দেশ হওয়া এসব তার পাগলামির অংশবিশেষ। আর
সমস্ত পাগলামির একমাত্র সাক্ষি এই পরী। নীলের
আনন্দ কষ্ট আর কেউ বুঝতে না পারলেও পরী ঠিকই
বুঝে।
(২)
- কই তুই?
- এইতো আসতেছি। পাঁচ মিনিট।
- আমি কতক্ষণ যাবত তোর জন্য দাঁড়িয়ে আছি আর
তুই বলতেছিস পাঁচ মিনিট।
- স্যরি দোস্ত। জ্যামে আটকা পরছি।
- ঠিক আছে তারাতারি আয়। ফুলের দোকানের
সামনে আসবি।
-আচ্ছা
-কোনসময় তুই কি দেখছিস কোন মেয়ে কোন ছেলের
জন্য দাঁডায় থাকে? আর তুই কিনা আমায় পুরা এক
ঘন্টার মতো দাঁড় করায় রাখলি? ইচ্ছা করতেছে তোর
চুলগুলা টেনে ছিড়ি।
- ঠিক আছে তোর যা ইচ্ছা তাই কর। তাও রাগ করিস
না। রাগলে তোকে পেঁচার মত লাগে।
- তোর সাথে কোন কথা নাই। আমার সামনে থেকে দূর
হ
- স্যরি স্যরি স্যরি। এখন বল কোনদিক যাবি?
রবীন্দ্রসরোবর না চন্দ্রিমা উদ্যানের সেই লেকটার
পাশের সেই সিডিঁতে?
- তুই কি এই দুই জায়গা ছাড়া কিছুই চিনিস না? চল
সেই সিঁডিতে গিয়েই বসি
- হুম চল। দীঘির জলে তোকে চাঁদের ছায়া দেখাই।
(৩)
- কিরে তাকিয়ে তাকিয়ে কি দেখিস?
- তোকে দেখতেছি জান
- ও রিয়েলি! তা জান এভাবে দেখে লাভ?
- সবকিছু লাভ ক্ষতি দিয়ে হিসাব করতে নেই। চাঁদের
আলোয় তোকে খুব সুন্দর লাগছে
- হয়ছে চাপা দেওয়া বন্ধ
- আমার কথা কি তোর চাপা মনে হয়?
- হুম। ফাজিল, বদমাইশ, বান্দর একটা। আজ সারাদিন
কয়টা সিগারেট খাইছিস?
- জানি না
- জানি না মানে কি? সত্যি করে বল কয়টা সিগারেট
খাইছিস?
- বেশি না, সারাদিনে মাত্র দশ বারোটা হবে হয়তো
- গাধা তোর লজ্জা নাই। এতোবার করে বললাম
সপ্তাহে তিনটার বেশি খাবি না। মনে থাকে না আমার
কথা?
- স্যরি দোস্ত তোর সব কথাই মানতে পারব শুধু
এটা ছাড়া
- আমার চেয়ে তোর কাছে সিগারেটই যখন বড় তখন
আমাকে ছেডে সিগারেট নিয়েই থাক আর আমার
সাথে আর কথা বলবি না
- ঠিক আছে জান এখন থেকে তিনটা করেই খাব তাও
রাগ করিস না
- মনে যেন থাকে
- তথাস্তু দস্যুদেবি
(৪)
নীল পরীকে অসম্ভব রকমের ভালবাসলেও কোনদিন
তাকে সে তার ভালবাসার কথা প্রকাশ করতে পারেনি।
শুধু মাঝে মাঝে কবিতার ছন্দে সে তার
ভালবাসা প্রকাশ করত। পরীও নীলকে ভালবাসত।
কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার জন্য সেও তার
ভালবাসা প্রকাশ করেনি। কারন সে রক্ষণশীল হিন্দু
পরিবারের মেয়ে আর নীল মুসলমান। নীল একদিন
সাহস করে
- আমি যে তোকে খুব ভালবাসি এটা কি তুই জানিস?
- হুম জানি। কিন্তু আমাকে ভালবাসার দরকার নাই।
কেন এতো ভালবাসিস? কষ্ট পাবি তুই।
- ভালবাসার জন্য কোন কারন লাগে না তাই ভালবাসি
- এটা কোনদিনও সম্ভব না
- তো কি হয়ছে?
- অনেক কিছু। আমি তোকে কষ্ট দিতে চাই না। তাই
বলছি আমায় ভুলে যা।
- ভুলে যাওয়ার জন্য তো ভালবাসিনি। আর
আমি তো তোকে বলছি না আমাকেও ভালবাসতে হবে।
আমি আমার মতো করে তোকে ভালবেসে যাব। কিন্তু
তোকে কোনদিন ভুলতে পারব না।
- আমিও যে তোকে ভালবাসি এটাও যেমন সত্য
তেমনি আমাদের ভালবাসা কেউ মনে নেবে না এটাও
তেমন ঠিক
- আমি মুসলমান আর তুই হিন্দু বলে?
- হুম। আর মাত্র কয়েক বছর পরই হয়তো আমার
বিয়ে হয়ে যাবে তখন তুই বেশি কষ্ট পাবি। তাই
বলছি এখনই আমায় ভুল যা।
- তোকে ভুলে থাকা যে সম্ভব না। আমি যে তোকে খুব
ভালবাসি।
পরী নীলকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। পরীর চোখের
জলে নীলের কাঁধ ভিজে যাচ্ছে। নীল আকাশের
দিকে তাকিয়ে মেঘের আনাগোনা দেখছে। আর
সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে তার
চিন্তাগুলা উড়িয়ে দিচ্ছে। প্রকৃতির
খেয়ালে তারা আজ যতোটা কাছে হয়তো একদিন
ততোটাই দূরে চলে যাবে নয়তো না.. নীলের
ভালবাসায় ভেসে যাচ্ছে পরী এক অনিশ্চিত
ভবিষ্যতের পানে।
মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০১৪
আপনার কলেজের HSC 2014 এর রেজাল্ট জানুন সবার আগে
২০১৪ সালের এইচ এস সি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল (১৩ আগষ্ট,২০১৪) প্রকাশিত হবে। আমরা সবাই চাই আগে আগে ফল পেতে। কিন্তু আমাদের দেশের ইন্টারনেটের যে গতি প্রায়শ দেখা যায় রেজাল্টের দিন শিক্ষা বোডের ওয়েব সাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তাই আমরা ভিন্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফল পেতে পারি। আসুন আমরা এবার দেখি কিভাবে আগে আগে পরীক্ষার ফল পেতে পারি।
গতবারের ন্যায় এবারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ই-মেইল এর মাধ্যমে ফল পাঠানো হবে। শিক্ষাবোর্ড সমূহের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ই-মেইল আইডি তৈরী করা হয়েছে।
কোন প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল আইডির ধরন হবেঃ
[সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নামের ১ম তিন অক্ষর][প্রতিষ্ঠানের EIIN নাম্বার]@educationboard.gov.bd
উদাহরণসরূপঃ ঢাকা বোর্ডের কোন প্রতিষ্ঠানের(শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ) EIIN নাম্বার যদি 132127 হয় তবে ঐ প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল আইডি হবে dha132127@educationboard.gov.bd এবং পাসওয়ার্ড হবে EIIN নাম্বার অর্থাৎ 132127
উল্লেখ্য, http://www.dshe.gov.bd/EIIN/EIIN.php এখানে ক্লিক করে সারা দেশের সব প্রতিষ্ঠানের EIIN নাম্বার বিভাগ ভিত্তিক ডাউনলোড করা যাবে। না পেলে google এ সার্চ দিন।
ই-মেইলে পরীক্ষার ফলসহ যাবতীয় তথ্যাদি পাওয়ার জন্য নিন্মের ধাপগুলো অনুসরন করতে হবেঃ
প্রথমে http://mail.educationboard.gov.bd/web/ এই ঠিকানায় যান। তারপর Email Address এর ঘরে ই-মেইল আইডি এবং Password এর ঘরে EIIN নাম্বার লিখে Login বাটনে ক্লিক করুন। উক্ত প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ Result Sheet টা বের হবে। এরপর CTRL + S চেপে পাতাটি সেভ করুন অথবা Print রেজাল্ট এ ক্লিক করে প্রিন্ট করুন কিংবা Save as PDF করুন।
বিদ্রঃ কোন প্রতিষ্ঠান যদি তাদের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলে তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট দেখতে পারবেন না। এই ট্রিকসটি শুধু সেইসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কাজ করবে যাদের প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার শিক্ষক তাদের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেন নাই। তাই কেউ কেউ রেজাল্ট এই পদ্ধতিতে নাও পেতে পারেন !
মোবাইলের মাধ্যমে ফল পেতে নিচের নির্দেশনা অনুসরন করুনঃ
HSC (স্পেস) first 3 latter of your board name(স্পেস)Roll No (স্পেস)Passing year
পাঠিয়ে দিন 16222 নাম্বারে
মাদ্রাসা বোর্ডের রেজাল্টঃ
ALIM (স্পেস) MAD (স্পেস) Roll No (স্পেস) Passing year
পাঠিয়ে দিন 16222 নাম্বারে
টেকনিক্যাল বোর্ডের রেজাল্টঃ
HSC (স্পেস) TECH (স্পেস) Roll No(স্পেস)Passing year
পাঠিয়ে দিন 16222 নাম্বারে
মোবাইল রেজিস্ট্রেশন করতেঃ
Reg (স্পেস) HSC(স্পেস) first 3 latter of your Board Name(স্পেস)your Roll Number 2014
পাঠিয়ে দিন 16222 নাম্বারে
আশা করি আমার এই পোষ্টটা ফলপ্রত্যাশীদের কাজে লাগবে।
সবার ভালো ফলের প্রত্যাশায় শেষ করছি।।
সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০১৪
মেয়েদের সারাক্ষণ একটাই ভয়। যে ভয়টা শুধু তার মেয়েবেলাকেই নষ্ট করেনি; নষ্ট করবে তার পুরো জীবন।
মেয়ে হয়ে জন্ম নেয়ার সব থেকে বড় কষ্ট হল
তাকে সারাক্ষণ ধর্ষণের ভয় নিয়ে বড় হতে হয়। এই
ভয়ংকর ব্যাপারটি তাকে খুব ছোট বেলা থেকে বিভিন্ন
ইশারায় বোঝানো হয়।
একসময় কোলে নিয়ে পিঠে হাত বোলানোর ভেতরেও
সে অন্য কিছু টের পায়। এই
ব্যাপারটা মা কে বলতে গিয়েও সে বলতে পারে না।
উল্টো বকা খাবার ভয়ে সে কাউকে বলবে না।
কাউকে না।
কার্টুন দেখার বয়সেই তাকে বোঝানো হয়
একা ছাদে যাবে না। একা ছাদ ভাল না।
যে বয়সে এরা হাড়িপাতিল নিয়ে নকল নকল
রান্না খেলা শিখে সেই বয়সেই এরা একদিন
মাকে গিয়ে ফিসফিস করে – এই হুজুরের
কাছে কিংবা শিক্ষকের কাছে আমি পড়ব না।
মেয়েদের শৈশব বলে আসলে কিছু নেই। রোজ সন্ধ্যায়
বর্ণমালা শেখানোর পাশাপাশি এদের অনেক
নীতিমালা শেখানো হয়। পশুদের হাত থেকে বাঁচার
নীতিমালা জেনে এরা সাত বছর বয়সেই একুশ বছরের
তরুণী হয়ে যায়।
আচ্ছা একুশ বছরের তরুণী কী খুব নিরাপদ? খুব ভাল
এক বন্ধু বাসায় যেতে বলল। ধরুন মোভি দেখার জন্যই
আসতে বলেছে। তারপরেও তরুণী মনে সবার
প্রথমে প্রশ্ন জাগবে –বাসায় কেন? বাসা কী খালি?
কোন প্রোগ্রামে গেছে। ফিরতে রাত
এগারোটা বাজবে। আমি দেখেছি অনেকের
মা এসে উপস্থিত হয়। কিসের ভয় এদের? ছিনতাই?
ডাকাতের? পুলিশের?
না...
মেয়েদের সারাক্ষণ একটাই ভয়। যে ভয়টা শুধু তার
মেয়েবেলাকেই নষ্ট করেনি; নষ্ট করবে তার
পুরো জীবন।
শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৪
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ ২০১৪-২০১৫
দেশের ১৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার
সময়সূচি ঘোষণা
ঢাকা॥ আগামী ১৩ আগস্ট প্রকাশিত
হচ্ছে চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট
(এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল। এরপরই শুরু
হয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ।
একজন শিক্ষার্থীকে পছন্দের বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তির জন্য প্রতিবছরই গড়ে ১০
থেকে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে দেখা যায়।
এ বছরও এর ব্যতিক্রম হবে না বলে মনে করছেন
সংশ্লিষ্টরা।
এ বছর আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন
এইচএসসি পরীক্ষায় নয় লাখ ২৪ হাজার ১৭১,
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এক লাখ
সাত হাজার ৫৫৭, কারিগরি বোর্ডের অধীন
এইচএসসিতে (বিএম) এক লাখ চার হাজার ৬৬৯ জন
এবং ঢাকা বোর্ডের অধীন ডিআইবিএসে চার হাজার
৯৭৭ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এ বছরের ৩ এপ্রিল
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮
জুন।
ইতোমধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর,
খুলনা ও বারিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল
ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), চট্টগ্রাম
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট),
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট),
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ, বাংলাদেশ
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি),
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি),
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয় ও
কলেজের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
নিচে পরীক্ষার তারিখের একটি সংক্ষিপ্ত
তালিকা তুলে ধরা হলো-
ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় :
ক ইউনিট- ১২ সেপ্টেম্বর
খ ইউনিট- ১৯ সেপ্টেম্বর
গ ইউনিট- ৫ সেপ্টেম্বর
ঘ ইউনিট- ২৬ সেপ্টেম্বর
চ ইউনিট- ১৩ সেপ্টেম্বর
ঢাবিতে সকাল ১০টায় এবং জবিতে বিকাল ৩টায়
পরীক্ষা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় : ১৭ থেকে ২৫
সেপ্টেম্বর
মেডিকেল ও ডেন্টাল : ৩ অক্টোবর
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় : ২৭ অক্টোবর থেকে ০৬
নভেম্বর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : ১৯ থেকে ২৫ অক্টোবর
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : ২৯ অক্টোবর থেকে ০১
নভেম্বর
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় : ১৮ ও ১৯ অক্টোবর
রুয়েট : ২৪ অক্টোবর
কুয়েট : ৩১ অক্টোবর
চুয়েট : ০৮ নভেম্বর
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ১৪ নভেম্বর
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় : ২৩ থেকে ২৭
নভেম্বর
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৬ ও ৭
নভেম্বর
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ(BAU) : ০৮
নভেম্বর
জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল :
১০ থেকে ১৩ নভেম্বর
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ২৯ নভেম্বর
শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০১৪
আমার হৃদ্স্পন্দন
হ্যাঁ তাই তো, তুই আমার হৃদ্স্পন্দন। আমার
প্রতিটি নিঃশ্বাসের সঙ্গেই যেন
তোকে আমি অনুভব করছি। একটা মুহূর্ত
কি তোকে ছাড়া এখন আর ভাবা যায়? কত
আগ্রহ আর ভালোবাসার ফসল তুই!
তোকে নিয়ে হাজারো ভাবনা, কত
কী পরিকল্পনা—কী খেলে তুই সঠিক
পুষ্টি পাবি, কতক্ষণ ঘুমালে তোর শরীর সুস্থ
থাকবে, কোন বাহনে চড়লে তোর
ক্ষতি হবে না। জানিস,
দোতলা থেকে ওঠানামা করতে গিয়ে তোর
ক্ষতি হতে পারে ভেবে, তোর
বাবা আমাকে নানুর বাসায় নিয়ে এসেছে।
পত্রিকায় নবজাতক
শিশুকে নিয়ে কোনো লেখা থাকলেই
তা কেটে নিয়ে রেখে দিই চুপিচুপি,
কাজে লাগবে ভেবে। দোকানে ছোট শিশুর কিছু
দেখলেই কিনে নিয়ে আসতে ইচ্ছে করে।
কিন্তু সত্যিই কি পারব তেমন পরিবেশ
তৈরি করতে? তুই এমনই এক দেশে জন্মাবি,
যেখানে হাজারো সমস্যায় মানুষ প্রতিনিয়ত
ধুঁকছে। তোর ছোট্ট শরীরটার সঠিক বেড়ে ওঠার
জন্য ফল খেতে বলে সবাই, কিন্তু
তাতে বিষাক্ত দ্রব্য মেশানো। মাছ খাব,
তাতে ফরমালিন দেওয়া; মুরগি খাব, তাতেও
নাকি ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান
পাওয়া যাচ্ছে। শুনছি বাজারে ডিমেও
নাকি কী ভেজাল হচ্ছে। সবকিছু
বেছে খেয়ে নাহয় তোকে পৃথিবীতে নিয়েই
আসব, তারপর তোকেও একই রকম
করে বেছে বেছে খাইয়ে আদর-মমতায় বড়
করে তুলব। তুই টুকটুক করে বড় হয়ে ব্যাগ
কাঁধে নিয়ে স্কুলে যাবি।
দেশে এখন কচি কচি মাথাগুলোকে শুরুতেই
নাকি মহাজ্ঞানী হয়ে উঠতে হবে। আর তাই
আনন্দের শৈশব বাদ দিয়ে তোকে সারা দিন এই
বই ওই বই নিয়ে বসে থাকতে হবে।
ছোট্ট প্রাণ আমার, তুই কি মায়ের এমন
চিঠিতে ভয় পাচ্ছিস? ভাবছিস, এত মন্দের
মাঝে কেন আমাকে নিয়ে আসছ? ভয় পাস
না জান আমার। মাঝে মাঝেই ভয় হচ্ছে, মন
খারাপ হচ্ছে। এতসব ভয়াবহ অবস্থার
মধ্যে তোকে কীভাবে টিকিয়ে রাখব? পরক্ষণেই
নতুন দিনের অপেক্ষায় থাকি। আমাদের
ভালোবাসা, যত্ন আর সঠিক পদক্ষেপের
মাধ্যমে নিশ্চয়
আমরা সুস্থভাবে তোকে বেড়ে উঠতে সাহায্য
করব। কারণ, তোরাই তো ভবিষ্যতের কান্ডারি,
এই দেশ যে তোদের হাত ধরেই ঘুরে দাঁড়াবে।
তোর অপেক্ষায় মা
শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৪
___দেশের টাকায় বিদেশী সম্পদ তৈরি হচ্ছে।
আজকের শিরোনামের বিষয় টা সত্যি খুব বেদনার।
___ বাংলাদেশে বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান BUET.
এই খানে প্রতি বছর প্রায় এক হাজার ছাত্র ভর্তি হয়।
তাহলে মোট পাচ টা ব্যাচ নিয়ে ৫হাজার শিক্ষার্থী।
যাদের সবার পেছনে প্রতি মাসে গড়ে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর এই অর্থ আসে সরকারি তহবিল থেকে (খেটে খাওয়া মানুষের টাকা)
__ আচ্ছা তাহলে প্রতি মাসে মোট ৫হাজার জনের পিছনে খরচ হয় ৫০০০০*৫০০০=২৫০০০০০০০ টাকা। অর্থৎ আড়াই কোটি টাকা।
___ আর সেই মেধাবী মুখ গুলো BUET এ পড়া শেষে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য বিদেশে পাড়ি জমায়।
___ তারা কি আর দেশে ফিরে আসে??? অবশ্যই না।
__তাহলে বিষয় টা কি দাড়ালো?
দেশে টাকায় বিদেশের উন্নয়নের জন্য কিছু বিজ্ঞানী, আর্কিটেক্ট, প্রকৌশলী তৈরি করে দেয় বাংলাদেশ। <আফসোস>